‘আমার ছেলেকে যারা পিটিয়ে মেরেছে তাদের ফাঁসি চাই’

আবরার ফাহাদের হত্যাকাণ্ডে যারা জড়িত তাদের ফাঁসি দাবি করেছেন তার বাবা বরকত উল্লাহ্। সোমবার (৭ অক্টোবর) রাতে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে এই দাবি করেন তিনি।

রাতে বুয়েটে ছেলের পড়তে গিয়ে সংবাদকর্মীদের বরকত উল্লাহ্ বলেন, আমি সরকারের কাছে আহ্বান জানাই, আমার ছেলের হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত করে বিচার করা হোক। দোষীদের ফাঁসি চাই।’ তিনি জানান, আবরার ছোটবেলা থেকেই মেধাবী। বুয়েট ছাড়াও ঢাকা মেডিকেল কলজে ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছিল সে।

প্রসঙ্গত, রোববার দিবাগত রাত তিনটার দিকে বুয়েটের বিশ্ববিদ্যালয়ের শের-ই-বাংলা হলের একতলা থেকে দোতলায় ওঠার সিঁড়ির মাঝ থেকে আবরারের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। জানা যায়, গতকাল দিবাগত রাতে বুয়েটের শের-ই বাংলা হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে আবরারকে পেটান বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা।

পরবর্তীতে দিবাগত রাত তিনটার দিকে হল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ১৯ জনকে আসামি করে রাজধানীর চকবাজার থানায় হত্যা মামলা করেছেন আবরারের বাবা। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৯ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

দেখুন কোরান শোনানোর পর বাচ্চাটি কি করলো (ভিডিও)

বর্তমানে আমরা আমাদের ছোট বাচ্চাকে কোরআন শোনাতে চাই না বরং উল্টো আমরা বিভিন্ন হিন্দি গান শুনিয়ে থাকি এবং এভাবে তাদেরকে গান শুনিয়ে ঘুম পড়ানোর চেষ্টা করি । কিন্তু আপনি কি ভেবে দেখেছেন আপনি যখন এই ছোট বাচ্চাকে গান শুনিয়ে শুনিয়ে অভ্যস্থ করছেন তাহলে সে বড় হয়ে কি শুনবে?

অথচ আপনি মনে মনে চাচ্ছেন যেন আপনার ছেলে বড় হয়ে বড় একজন আলেম হয় কিন্তু আপনি উল্টো কাজ করে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত। যাই হোক আজকের টপিক এই ব্যাপারে নয় তো চলুন জেনে নেওয়া যাক কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা।

নিচে আপনাদের একটি ভিডিও দেওয়া আছে যেটাতে পরিষ্কার কোরআন শরীফের মোজেজা দেখতে পাবেন। ভিডিওতে আপনারা পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছেন এই ছোট বাচ্চাটি কে যখন কোরান শোনানো হচ্ছিল তখন বাচ্চাটি কোরআন শুনতে শুনতে ঘুমিয়ে গিয়েছে।

কারণ কোরআনে যে মধু আছে সে মধুর স্বাদ যে পাবে সেই শুধু বুঝবে। তাইতো বেশি বেশি কোরআন তেলাওয়াত করতে এবং শুনতে প্রতিটি মুসলিমকে উৎসাহিত করা হয়।

চোখের নিচের অনাকাঙ্খিত কালো দাগ দূর করার ঘরোয়া টিপস (ভিডিও )

আমাদের বর্তমান যুব সমাজের একটি কমন সমস্যা হচ্ছে চোখের নিচে কালো দাগ। চোখের নিচে কালো দাগ পড়া কারণের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে রাত জাগা। আমাদের বর্তমান যুবক ও যুবতীরা রাতে না ঘুমিয়ে ইন্টারনেট ব্রাউজ করতেই ব্যস্ত থাকেন বেশি, আর তাই তাদের চোখের নিচে কালো দাগ টা খুব স্বভাবতই পড়ে থাকে। তাই এখন আপনাদেরকে জানাবো কি কি উপায়ে আপনার চোখের নিচের কালো দাগ খুব সহজেই দূর করতে পারবেন। তো চলুন জেনে নেওয়া যাক।

নারিকেল তেল আর হলুদের প্যাক: প্রথমে কাঁচা হলুদ বেটে নিন তারপর এরমধ্য নারিকেল তেল আর আমন্ড তেল মেশান। এটি যখন থকথকে ঘন প্যাক হিসেবে তৈরি হবে তখন চোখের নিচে ও পুরো মুখে লাগিয়ে নিন। এরপর যখন শুকিয়ে যাবে তখন মুখ ধুয়ে নিবেন। ব্যাস আপনার কাজ শেষ।


দই মধুর প্যাক: আপনাদের জেনে নেয়া উচিত যে দই এর আলফা হাইড্রোক্সি এসিড নতুন করে কোষ গজানোর হার বাড়াতে অনেকটাই কাজ করে। তাই দই মধু আর কয়েক ফোঁটা গোলাপ জলের একটি প্যাক তৈরি করে চোখের তলায় ও মুখে লাগান দিনে দুইবার। এটিও শুকিয়ে গেলে গরম পানির সাহায্যে আলতো করে ধুয়ে নিন এবং আলতো করে মুছে নারিকেল তেল এলোভেরা জেল এর মিশ্রণ লাগিয়ে নিন। আর অবশ্যই অবশ্যই রাতে ঘুমানোর আগে নারিকেল তেল চোখের নিচে দিয়ে ঘুমান।

শসার প্যাক: প্রথমে বাজার থেকে শসা এনে কুড়িয়ে নিন এবং সাথে সামান্য দই মিশিয়ে একটি প্যাক বানান। তারপর আপনার কাজ হবে এটি ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করা। এরপর অফিস বা স্কুল থেকে ফিরে এই প্যাক চোখের গোড়ায় লাগিয়ে নিন। ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলতে হবে যখন সেটি শুকিয়ে যাবে। এবং অবশ্যই অবশ্যই নারিকেল তেল ব্যবহার করুন আন্ডার আই ক্রিম হিসেবে। সপ্তাহে ২/৩ বার এটি ব্যবহার করলে ভালো একটি ফলাফল পাবেন। ইনশাআল্লাহ

 

                        >>>>>বোনাস হিসেবে এই ভিডিওটি দেখতে পারেন আরো নতুন কিছু টিপস পেতে<<<<<<<

ইউটিউবের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আসছে ইয়ানডেক্স

ভিডিও স্ট্রিমিং এর দুনিয়ায় ইউটিউব এর প্রতিদ্বন্দ্বি এখন পর্যন্ত কাউকেই খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে এবার রাশিয়া তাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে যাচ্ছে বলে শোনা যাচ্ছে। এটি আনার ঘোষণা দিয়েছেন ইন্টারনেট জায়ান্ট ইয়ান্ডেক্স।

তবে কিছুদিন আগে থেকে ইউটিউব এর পাশাপাশি ফেসবুক ওভিডিও মনিটাইজেশন এর একটি অপশন রেখেছে। এজন্য ইউটিউব এর পরের পজিশন আপাতত ফেসবুকেই দেয়া হচ্ছে ভিডিও স্ট্রিমিং এর জন্য। তবে এক তথ্যে জানা গেলো বর্তমানে জনপ্রিয় ভিডিও স্ট্রিমিং সেবা ফেসবুক ও ইউটিউবের পথেই ইয়ানডেক্স এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে চীনের বেইজিংভিত্তিক প্রতিষ্ঠান বাইটড্যান্সের অনলাইন ভিডিও সেবা টোটিয়াও।

এই সাইটটিতে বর্তমানে আপনি চাইলে ১৫ মিনিট দৈর্ঘ্যের ভিডিও আপলোড করতে পারবেন। কারণ এটি বর্তমানে পরীক্ষামূলক ভাবে আছে।নানা রকম কনটেন্ট দিয়ে পূর্ণ ওয়েবসাইটটির ব্যবহারকারী ১ কোটি ১০ লাখেরও বেশি এবং প্রতিদিনের ২ কোটিরও বেশি ভিউ হচ্ছে কনটেন্টগুলো।

তবে জানা যাচ্ছে রাশিয়ার প্রায় অর্ধেক মানুষ এখন এই সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করছেন। আরো একটি সূত্রে জানা গেছে গত বছরই এর দর্শক সংখ্যা ৫ কোটি ছাড়িয়ে গেছে। এবং সম্প্রতি সেরা সাইটগুলো অনুসন্ধান করতে গিয়ে ডিলয়েট ৩য় অবস্থানে ইয়ানডেক্স জেনের নাম প্রকাশ করে

যে কারণে আপনার মৃত্যু ঘুমের মধ্যেই হতে পারে (ভিডিও)

জন্ম নিলে মৃত্যু অবধারিত এতে কোন সন্দেহ নেই। আমরা চাইলেও এই বাস্তবতা থেকে বেরিয়ে আসতে পারবো না কোনদিন। মানুষের মৃত্যু কত ভাবে হতে পারে সেটার ধারণা অবশ্যই আমাদের মাঝে নেই। তবে ঘুমের মধ্যেই হঠাৎ মৃত্যু একটু বেশি আফসোসের বটে।আর আপনি যদি জানতে পারেন যে ঘুমের মধ্যে আসলে কি কারনে মৃত্যু হয় তাহলে আপনি চমকে উঠবেন।

স্বভাবতই আমরা যখন ঘুমিয়ে থাকি তখন মানব দেহের শরীরের রক্তের সঞ্চালন অনেকটাই বেড়ে যায়। এ সময় হৃদযন্ত্র জনিত সমস্যা আমাদের শরীরে দেখা দেয়। অনেক সময় ঘুমের মধ্যেও মানুষ কিছু বুঝে ওঠার আগেই স্ট্রোক করে মারা যায়। আবার অনেক সময় দেখা যায় মানুষের হূদযন্ত্র সঠিকভাবে কাজ না করায় দম বন্ধ হয়ে মারা যায়। আবার মাত্রাতিরিক্ত ওজন কিন্তু ঘুমের মধ্যে মৃত্যুর অন্যতম একটি বড় কারণ হতে পারে।

আবার অনেকেই দেখবেন ঘুমের মধ্যে অনেক নাক ডেকে থাকেন। আপনার আশেপাশে যারা ঘুমের মধ্য না দেখে থাকেন তাদেরও ঘুমের মধ্যে মৃত্যুর ঝুঁকি থাকে। স্লিপ অ্যাপনিয়া নামক সমস্যার কারণে নাক ডাকার সমস্যা হতে পারে।

ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করে ঘুমানো ঠিক নয়। বদ্ধ ঘরে সহজেই কার্বন মনোক্সাইড তৈরি হয়। কার্বন মনোক্সাইডের কারণে দম আটকে মারা যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

তবে অনেক ডক্টর সাজেস্ট করেন আপনি ঘুমানোর আগে যদি এক গ্লাস পানি খেয়ে তারপর ঘুমাতে যান তাহলে আপনার ঘুমের মধ্যে কখনোই স্ট্রোক হবে না আল্লাহর রহমতে, ইনশাআল্লাহ। তাই অবশ্যই আমাদের এটি নিয়মিত একটি অভ্যাস হিসেবে গড়ে নিতে পারলে আমাদের জন্যই অনেকটা ভালো হবে বলে আশা করা যায়।

পানি পান করার সঠিক নিয়ম

পানি খাওয়ার রীতিতে খানিকটা পরিবর্তন আনতে পারলে তা আপনার লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্যে বড় ধরনের চ্যাঞ্জ নিয়ে আসতে পারে। তার মানে এই না যে প্রতিদিন অতিরিক্ত বেশি পানি খেতে হবে। পানি খাওয়ার ব্যাপারে সচেতনতা আনলে গ্যাস, অ্যাসিডিটি, খাওয়ার পর ঢেঁকুর ওঠা এই ধরনের সমস্যা খুব দ্রুতই সমাধান হবে। স্বাভাবিক খাবার খাওয়ার পর অথবা অতিরিক্ত খাবার না খেলেও পেট ভরা মনে হয় অনেকের। পানি খাওয়ার অভ্যাসে কিছু নিয়ম মানলেই এই সমস্যাও দ্রুত চলে যায়।

পানি খাওয়ার সঠিক পদ্ধতি : 

১. প্রথমে বসতে হবে। দাঁড়িয়ে পানি খাওয়া যাবে না। নিয়মিত খাবারের সময় যেমন বসতে হয়। পানি খাওয়ার সময়ও সেরকম বসতে হবে।

২. স্বাভাবিকভাবে চুমুক দিয়ে পানি খেতে হবে। ঢক ঢক করে বা বড় বড় ঢোক দিয়ে খুব দ্রুত পানি খাওয়া যাবে না। একবারে ঢক ঢক করে বেশি পানি খেয়ে ফেললে শরীর তা গ্রহণ করতে পারে না। এর বেশিরভাগই শরীর থেকে তখনই বের হয়ে যায়।

৩. সারাদিন বার বার অল্প পানি খেতে হবে।

৪. অন্তত ঘরে সাধারণত যে তাপমাত্রা থাকে সেই তাপমাত্রার পানি পান করতে হবে। মানে স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি। তবে এর চেয়ে সামান্য একটু গরম হলে ভালো। ঠাণ্ডা পানি হজম শক্তি কমিয়ে দেয়।

৫. খাবার খাওয়ার সময় খুব অল্প পরিমাণ পানি পান করতে হবে। খাওয়ার সময় বেশি পানি খেলে পেটে খাবার পরিপাক বা হজম হওয়ার জন্য যথেষ্ট জায়গা থাকে না। খাবার খাওয়ার সময় এই নিয়ম মনে রাখতে হবে–পাকস্থলীর ৫০ ভাগ পূর্ণ করতে হবে খাবার দিয়ে, পানি দিয়ে পূর্ণ করতে হবে ২৫ ভাগ। আর বাকি ২৫ ভাগ খালি রাখতে হবে পরিপাক রস এবং পরিপাক ক্রিয়া বা হজমের জন্য।

৬. উপরোক্ত একই কারণে খাওয়ার একদম আগে বা পরে বেশি পানি পান করা যাবে না। ৫০ ভাগ ভরতে হবে খাবার দিয়ে, ২৫ ভাগ পানি দিয়ে এবং বাকি ২৫ ভাগ খালি রাখতে হবে।

৭. যখনই তৃষ্ণা পাবে তখনই পানি খেতে হবে। পানি পিপাসা পাওয়া একটি স্বাভাবিক ব্যাপার। এর মানে শরীর পানির অভাববোধ করছে। তাই তৃষ্ণা পেলেই পানি খেতে হবে।

৮. প্রত্যেকের শরীরের সাইজ, খাবারের পরিমাণ এবং লাইফস্টাইল আলাদা আলাদা। একজনের জন্য দিনে আট গ্লাস পানি প্রয়োজন হতে পারে। কিন্তু সবার জন্য তা নাও হতে পারে। প্রাকৃতিকভাবে মানুষের শরীরের প্রয়োজনীয় পানি পরিমাপ করার একটি পদ্ধতি রয়েছে। সে পদ্ধতিটি হল তৃষ্ণা। তৃষ্ণা পেলে পানি খেতে হবে। সারাদিন ধরে তৃষ্ণা পেলেই পানি খাওয়ার মাধ্যমে সঠিক পরিমাণে পানি খাওয়া হয়ে যাবে।

৯. শরীরে সঠিক পরিমাণ পানি আছে কিনা তা জানার দ্বিতীয় উপায়টি হলো প্রস্রাব দেখা। যদি ইউরিন একদম পরিষ্কার এবং হলুদ রঙের হয় তাহলে শরীরে সঠিক পরিমাণে পানি রয়েছে। আর যদি প্রস্রাবের রঙ গাঢ় হলুদ হয় তাহলে আরো পানি পান করতে হবে।

১০. শরীরে পানির চাহিদা দেখার আরেকটি উপায় হচ্ছে ঠোঁট। ঠোঁট এখানে নির্দেশক। যদি ঠোঁট শুকনো থাকে বা ঘন ঘন শুকিয়ে ওঠে তাহলে বুঝতে হবে শরীরে পানির স্বল্পতা রয়েছে। তখন বারবার অল্প অল্প পানি খেতে হবে।

পানি খাওয়ার এই নিয়মগুলো বিজ্ঞানসম্মত। নিজের সচেতনতা ব্যবহার করতে হবে এই নিয়মগুলোকে কার্যকর করতে।